মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকদের
অল্প বয়সে মারা যাওয়ার কারন অনুসন্ধান ও করণীয় নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী মহোদয়ের সাথে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মহোদয়ের সাথে জুমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এই সভায় মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশের শ্রমিকদের অল্প বয়সে মারা যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়।
সভায় জানানো হয়, মালদ্বীপে বাংলাদেশী অনেক শ্রমিক অল্প বয়সে মারা যাচ্ছে এবং আশঙ্কজনকভাবে এই মৃত্যুহার বাড়ছে। বাংলাদেশ হাই কমিশন এই বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিএমইউ এর পক্ষ থেকে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান ও সম্ভাব্য করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এই সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন কারিগরী বা টেকনিক্যাল দিক নির্দেশনা দেন। তিনি উল্লেখ করেন দুই দেশের সরকারের মধ্যে ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমূহের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্পষ্ট তথ্য, উপাত্ত এবং নির্দেশনা পেলে বিএমইউ এর পক্ষ থেকে এ সমস্যার সমাধান কল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সভায় মালদ্বীপের চিকিৎসকরা বিএমইউ থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে আগ্রহী, সেই বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। তবে সেক্ষেত্রে তারা কি ধরণের ডিগ্রী নিতে চান এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিলে বিএমইউ কর্তৃপক্ষ তা যাচাই বাছাই করে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিবে। এসময় উপাচার্য মহোদয় আশা করেন, চীন, ভারতের সাথে বিএমইউর বিদ্যমান যে ধরণের সমঝোতা স্মারক হয়েছে মালদ্বীপের সাথেও সম্ভাব্যতা যাচাই করে এ ধরণের এমওইউ বা সমঝোতা স্মারক হতে পারে। মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক অংশীদারিত্বের সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সভা অনুষ্ঠানের সময় দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদনা: অধ্যাপক ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু। ছবি: মোঃ আরিফ খান।
নিউজ: প্রশান্ত মজুমদার।





